সর্বশেষ সংবাদ:
প্রভাবশালী ব্যক্তিদের অন্তরঙ্গ দৃশ্যের ভিডিও ক্লিপ উদ্ধার পাপিয়ার কাছ থেকে আমরা শহরের সকল সুবিধা গ্রামে দিচ্ছি : প্রধানমন্ত্রী যুবমহিলা লীগ থেকে পাপিয়া বহিষ্কার খালেদা জিয়ার জামিন শুনানি পিছিয়ে ২৭ ফেব্রুয়ারি মুজিব বর্ষে ​​​​​​​আসছে ২০০ টাকার নোট ও স্বর্ণ মুদ্রা পরিকল্পনামন্ত্রী কাছে দিরাই’র মেয়রের ২ কোটি টাকা বরাদ্দের দাবি জগন্নাথপুর পৌরসভার উপ-নির্বাচন, নৌকার মাঝি হতে চান ১২ নেতা সিলেটে ১৮ মামলার আসামি ডাকাত ফটিক নিহত, জনমনে স্বস্তির নিশ্বাস আটক শিবির ক্যাডারের দেয়া তথ্যে জকিগঞ্জ থেকে অস্ত্র উদ্ধার প্রধানমন্ত্রী চান সুনামগঞ্জের উন্নয়ন হোক: পরিকল্পনামন্ত্রী জগন্নাথপুর পৌর উপ-নির্বাচন, নৌকার প্রার্থী হতে চান সাবেক ছাত্রনেতা আবু তাহিদ দলীয় মনোনয়ন চেয়ে প্রত্যাহার করে নিলেন নুরুল করিম, ভাসছেন প্রশংসায় সিলেটে পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে ডাকাত নিহত ডিবির অভিযানে জৈন্তাপুরে ১৪ লক্ষ টাকার চোরাই পন্য জব্দ, আটক ২ বোন-কন্যাকে সঙ্গে নিয়ে বাবার ছবির সামনে প্রধানমন্ত্রীর সেলফি সিলেটে আত্মহত্যা করলেন যুবক, ঘর থেকে ফিলিপাইন তরুণীর একাধিক ছবি উদ্ধার কানাইঘাটে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিয়ে সমাজ কল্যাণ পরিষদের প্রতারণা কানাইঘাটে যথাযোগ্য মর্যাদায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত জগন্নাথপুরে তরুণদের উদ্যোগে জুনিয়র টি-টেন ক্রিকেট টুর্ণামেন্টের উদ্বোধন ‘১৯৫১ সালের ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা’ জানিয়েছেন এমপি কয়েস!

আফিফের ব্যাটে টাইগারদের জয়

ক্রীড়া ডেস্ক :: টিম বাংলাদেশের বাঘা বাঘা ব্যাটসম্যানরা সব হতাশ করে বিদায় নিয়েছিলেন। সাকিব, মুশফিক, মাহমুদউল্লাহর মতো ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতা যখন দারুণ হতাশার জন্ম দিল বাংলাদেশের ক্রিকেট সমর্থকদের হৃদয়ে, তখন সেটাকে নিমিষে দূর করে দিলেন আফিফ হোসেন ধ্রুব।

বয়স মাত্র ২০ ছুঁই ছুঁই। মোসাদ্দেক হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে এই বয়সে দলকে নিশ্চিত হার থেকে রক্ষা করলেন এই তরুণ ক্রিকেটার। বাংলাদেশকে এনে দিলেন ৩ উইকেটের এক লজ্জা এড়ানো জয়।

Advertisement

আফিফ হোসেন ধ্রুবর সঙ্গে ৮২ রানের জুটি গড়েন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতও। মাত্র ২৪ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূরণ করেন আফিফ। যদিও শেষ মুহূর্তে ২৬ বলে ৫২ রান করে আউট হয়ে যান তিনি। কিন্তু তাতে জয় পেতে আর কষ্ট হয়নি বাংলাদেশের। ২৪ বলে ৩০ রানে অপরাজিত ছিলেন সৈকত। ২ বল বাকি থাকতে সাইফউদ্দিন মাদজিভাকে বাউন্ডারি মেরে বাংলাদেশকে জয় এনে দেন।

আফগানিস্তানের কাছে চট্টগ্রাম টেস্টে হারের পরই বাংলাদেশ ক্রিকেটের নখ-দন্ত বেরিয়ে পড়ে। এরপর জিম্বাবুয়ের কাছে বিসিবি একাদশের নামে একঝাঁক জাতীয় দলের ক্রিকেটারের হার চিন্তা বাড়িয়ে দিয়েছিল। তবুও আশা ছিল, মূল লড়াইয়ে সাকিব আল হাসানরা ঠিকই পারবে হয়তো।

Advertisement

কিন্তু জিম্বাবুয়েকে ১৪৪ রানে বেধে ফেলার পরও যখন মাত্র ৬০ রানেই ৬ উইকেটের পতন ঘটে, তখন তো নিশ্চিত হারের যন্ত্রণাই চেপে বসতে যাচ্ছিল। আরও একটি লজ্জাজনক পরাজয় তখন যেন দরজায় কড়া নাড়ছিল।

কিন্তু আফিফ হোসেন ধ্রুবর ওপর অনেকেরই আস্থা ছিল। মিরপুরের প্রেসবক্সেও সবাই বলাবলি করছিল, এই ছেলেটির মধ্যে প্রতিভা আছে। সেই পারে বাংলাদেশকে এই লজ্জা থেকে বাঁচাতে। সঙ্গে যদি মোসাদ্দেক তাকে যোগ্য সঙ্গ দিতে পারে!

শেষ পর্যন্ত সেটাই প্রতিফলিত হলো। আফিফ হোসেন ধ্রুব জিম্বাবুয়ে বোলারদেরকে নিজেদের ওপর চেপে বসতে দেননি। বরং দেখিয়ে দিয়েছেন শন উইলিয়ামস, তেন্দাই চাতারা কিংবা কাইল জার্ভিসদের চেয়ে বাংলাদেশ এখন অনেক বেশি এগিয়ে। জিম্বাবুয়ে বোলারদের উইকেটের চারপাশে পিটিয়ে মাত্র ২৪ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূরণ করলেন তিনি। যাতে ছিল ৮টি বাউন্ডারি আর ১টি ছক্কার মার।

মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত জুটি তৈরিতে দারুণ সহযোগিতা করলেন। কোনো বাউন্ডারি নেই তার ৩০ রানের ইনিংসে। রয়েছে ২টি ছক্কা। শেষ পর্যন্ত বিজয়ীর বেশেই মাঠ ত্যাগ করলেন তিনি।

টস হেরে বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে ১৮ ওভারে বাংলাদেশের সামনে ১৪৫ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য ছুড়ে দেয় জিম্বাবুয়ে। দুই ওপেনার লিটন দাস আর সৌম্য সরকার মোটামুটি একটা ভালো শুরু দিয়েছিলেন; কিন্তু ৩ ওভারে ২৬ রান যোগ করেই তারা দুজন সাজঘরের পথ ধরেন।

চাতারার করা ইনিংসের তৃতীয় ওভারের শেষ বলে বোল্ড হন লিটন (১৪ বলে ১৯)। কাইল জার্ভিসের পরের ওভারের প্রথম বলেই তুলে মারতে গিয়ে বোকার মতো আউট সৌম্য সরকার (৭ বলে ৪)।

এর তিন বলের ব্যবধানে মুশফিকুর রহীমকেও (০) উইকেটের পেছনে ক্যাচ বানিয়েছেন জারভিস। এরপর ১ রান করে চাতার দ্বিতীয় শিকার অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। এ সময় দলের রান মাত্র ২৯। উইকেট নেই ৪টি।

এরপর মাহমুদউল্লাহ আর সাব্বির রহমান কিছুটা আশার আলো জাগান। ২৭ রানের জুটি গড়ার পর মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ হয়ে যান এলবিডব্লিউ। ১৬ বলে তিনি করেন ১৪ রান। ৪ রান পরই, ৬০ রানের মাথায় ফিরে যান সাব্বির রহমানও।

এরআগে শুক্রবার মিরপুরে টস জিতে ফিল্ডিং নেন সাকিব। বৃষ্টির ম্যাচেও দুই পেসার নেন তিনি। দুই প্রান্ত দিয়ে তোলেন স্পিন আক্রমণ। অভিষেকে টি-২০ ম্যাচে নিজের প্রথম বলেই উইকেট নেন তাইজুল ইসলাম। পরে মুস্তাফিজ-সাইফউদ্দিন ঝলকে চাপে পড়ে যায় জিম্বাবুয়ে। তবে রায়ান ব্রুল ৩২ বলে ৫৭ রানের দারুণ এক ইনিংস খেলেন। ১৬তম ওভারে সাকিবের বলে তিন ছক্কা ও তিন চারে ৩০ রান নেন তিনি। সঙ্গে মাতুমবজি ২৭ রান করে ৮১ রানের জুটি গড়েন। তার আগে অধিনায়ক হ্যামিলটন মাসাকাদজা ২৬ বলে ৩৪ রান করে আউট হন।

বাংলাদেশের হয়ে সাকিব ৪ ওভারে ৪৯ রান খরচা করে উইকেট শূন্য থাকেন। তাইজুল ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান, সাইফউদ্দিন ও মোসাদ্দেক হোসেন একটি করে উইকেট নেন। জিম্বাবুয়ের হয়ে কাইল জারভিস, টেন্ডি সাতারা এবং নেভিল মাসজিভা দুটি করে উইকেট নেন।

আজ শনিবার জিম্বাবুয়ে তাদের দ্বিতীয় ম্যাচে আফগানিস্তানের মুখোমুখি হবে।

Advertisement

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের অপশনে ক্লিক করুন

এ জাতীয় আরও সংবাদ 👇


Facebook Page


Scroll Up