1. [email protected] : Md. Munna Miah : Md. Munna Miah
  2. [email protected] : Developer :
  3. [email protected] : Emad uddin Akash : Emad uddin Akash
  4. [email protected] : Peer Jubaer : Peer Jubaer
  5. [email protected] : Rayhan Ahmed : Rayhan Ahmed
  6. [email protected] : Sayad hussen sobuj : Sayad hussen sobuj
  7. [email protected] : Md. Usman Gani : Md. Usman Gani
  8. [email protected] : Zakaria Ahmed : Zakaria Ahmed
সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৩:৫২ পূর্বাহ্ন


নিজস্ব প্রতিবেদক

১৪ জুলাই ২০২১, ১:৫৮ পূর্বাহ্ণ

পুলিশকে ভর্ৎসনা করে ফেসবুকে লাইভ, কথিত সাংবাদিক গ্রেপ্তার

  • প্রকাশিত : জুলাই, ১৪, ২০২১, ১:৫৮ পূর্বাহ্ণ


    সিলেট মহানগরের সুরমা গেইট এলাকায় দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশকে ভর্ৎসনা করে ফেসবুকে লাইভ দিয়ে ভাইরাল সেই ভুয়া সাংবাদিক ফয়সল কাদিরকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)।

    মঙ্গলবার (১৩ জুলাই) দিবাগত রাত সাড়ে ১২ টার দিকে পুলিশের দায়ের করা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলায় শহরতলীর পীরের বাজার এলাকা থেকে র‍্যাব-৯ সিলেটের একটি দল কথিত এ সাংবাদিককে গ্রেপ্তার করে।

    র‍্যাব-৯ এর একটি বিশেষ সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তবে গ্রেপ্তারের বিস্তারিত তথ্য তাৎক্ষণিক জানা যায়নি।

    আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে কথিত এ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে নারী ধর্ষণের অভিযোগ রয়েছে। সে নারী ধর্ষণের অভিযোগে একবার গ্রেপ্তারও হয়েছিল। যখন সে নারী ধর্ষণে গ্রেপ্তার হয় তখন তার বয়স ২৮ ছিল।

    উল্লেখ্য, গত ৯ জুলাই সন্ধ্যার ঠিক আগে নগরের সুরমা গেইট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। দুই দিন পর এ ঘটনায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেছে ট্রাফিক পুলিশ। রবিবার রাতে শাহপরান থানায় এসএমপির ট্রাফিক বিভাগের সার্জেন্ট মো. নুরুল আফসার ভূঁইয়া বাদী হয়ে ফেসবুকে লাইভ দেওয়া কথিত সাংবাদিক ফয়ছল কাদিরকে একমাত্র আসামি করে মামলা দায়ের করেন। মামলার পর ফেসবুক থেকে ভিডিও সরিয়ে ফয়ছল ঘটনার জন্য ‘মাফ চাই’ বলে আরেকটি লাইভ করেন।

    সিলেট মহানগর পুলিশের (এসএমপি) ট্রাফিক বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার জ্যোতির্ময় সরকার গত সোমবার জানান, মামলায় আসামির বিরুদ্ধে নম্বরবিহীন মোটরসাইকেল আটকের পর ফেসবুকে লাইভ করে ট্রাফিক বিভাগের কার্যক্রম নিয়ে নানা রকম কটূক্তি করেন। সরাসরি সম্প্রচারে তাঁর অশালীন উক্তি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। এসএমপির ট্রাফিক বিভাগের সার্জেন্ট মো. নুরুল আফসার ভূঁইয়া বাদী হয়ে এ মামলা করেন।

    মামলার এজাহারে বলা হয়, ৯ জুলাই বিকেলে মহানগরের শাহপরান থানা এলাকার সুরমাগেটে অস্থায়ী নিরাপত্তাচৌকি স্থাপন করে ট্রাফিক বিভাগের কার্যক্রম চলে। এ সময় একটি নম্বরবিহীন মোটরসাইকেলে হেলমেটবিহীন তিনজন আরোহীসহ মোটরসাইকেলটির চালক ফয়ছল কাদিরকে (৪০) আটক করা হয়। তাঁর কাছে গাড়ির কাগজপত্র ও বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে হেলমেটবিহীন অবস্থায় তিনজন চলাচল করার কারণ জানতে চাইলে তিনি নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দেন। কর্তব্যরত ট্রাফিক মোটরসাইকেলটি আটক করলে ফয়ছল কাদির ফেসবুকে লাইভ শুরু করেন। এ সময় তিনি মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্যও প্রচার করেন।

    ফয়ছল কাদির ফেসবুকের যে আইডি থেকে ঘটনাটির লাইভ দিয়েছিলেন, সেটির নাম ‘পিকে টিভি’ (পৃথিবীর কথা)। ফেসবুকভিত্তিক পেজটির তিনিই পরিচালক। আর ‘পৃথিবীর কথা’ নামের অনলাইন পোর্টালে প্রকাশক হিসেবে তাঁর নাম রয়েছে।

    লাইভে দেখা গেছে, মোটরসাইকেলটি ট্রাফিক পুলিশ আটকানোর পর তিনি উল্টো ট্রাফিক পুলিশের গাড়ির কাগজপত্র ঠিক আছে কি না, তাঁদের মাথায় হেলমেট আছে কি না, প্রভৃতি প্রশ্ন তুলে নানা রকম ভর্ৎসনা করেন। নম্বরবিহীন মোটরসাইকেল আটকানোয় তিনি ফেসবুক লাইভে রোগী বহনকারী গাড়ির নম্বর নেই, সেসব তুলে ধরে অপ্রাসঙ্গিকভাবে ট্রাফিক পুলিশের বিরুদ্ধে নানা রকম বিদ্রূপাত্মক মন্তব্য করেন।


    facebook comments





















    © জেপি মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। © ২০১৮ - ২০২১