সিলেট মহানগর যুবলীগের সম্মেলন : পদপ্রত্যাশীরা সরব, লবিং তুঙ্গে

মো. মুন্না মিয়া :: চলতি মাসের ২৭ তারিখ সিলেট মহানগর আওয়ামী যুবলীগের সম্মেলন। এ নিয়ে পদপ্রত্যাশীরাও সরব হয়েছেন। চালিয়ে যাচ্ছেন জোড় লবিং। শীর্ষপদ পেতে নিজেদের অবস্থান শক্ত করছেন তারা। সম্মেলনে ভোটের মাধ্যমে নতুন নেতৃত্ব খোঁজে বের করার কথা থাকলেও ‘সিলেকশন’ আতঙ্কে আছেন ঝড়জাটপা খাওয়া যুবলীগের তৃনমূল থেকে আসা নেতৃবৃন্দরা। আর ছাত্ররাজনীতি থেকে উঠে আসা সাবেক ছাত্রনেতারা বলছেন ‘যুবলীগ হোক, যুবকদের নিয়ে’। যুবাদের মূল্যায়ন করার দাবি তাদের।

যুবলীগের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে আলাপকালে জানা যায়, বর্তমান আহ্বায়ক কমিটি গঠনের পূর্বে সিলেট মহানগর আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সৈয়দ শামীম আহমদ ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন আবদুর রহমান জামিল। তারা আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে অন্তর্ভূক্ত হলে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সম্পাদক দ্বারা কার্যক্রম চলে। ওই কমিটির মেয়াদ শেষ হয় ২০০৪ সালের নভেম্বর মাসে। কমিটির মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার পর থেকেই নতুন কমিটি গঠনের তোড়জোড় শুরু হলেও কমিটি গঠন করা হয়নি। প্রায় একদশক পর ২০১৪ সালের ৭ জুন ঝিমিয়ে পড়া সিলেট মহানগর যুবলীগকে জাগ্রহ করতে প্রায় এক দশক পর যুবলীগের সভাপতি ওমর ফারুক চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশীদ রাজধানীর সচিবালয়ে তৎকালীন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের দপ্তরে গিয়ে সিলেট মহানগর যুবলীগের ৬১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটির তালিকা জমা দেন। পরে সেখান থেকে কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করা হয়।

কমিটিতে আলম খাঁন মুক্তিকে আহ্বায়ক এবং চারজনকে যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়।

যুগ্ম আহ্বায়করা হচ্ছেন মুশফিক জায়গীরদার, আসাদুজ্জামান আসাদ, সাইফুর রহমান খোকন ও সেলিম আহমেদ সেলিম। এরমধ্যে আসাদুজ্জামান আসাদ ও সাইফুর রহমান খোকন গঠিত ওই কমিটির সকল কার্যক্রম থেকে সড়ে দাঁড়ান।

এরপরপরই কমিটি প্রত্যাখান করে রাজপথে নেমে আসেন যুবলীগের নেতাকর্মীরা ; করেন বিক্ষোভ মিছিল। তখন তারা সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং মিছিল পরবর্তী সমাবেশে যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আহমদ আল কবিরকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন।

এরপর থেকে ৩ মাসের আহ্বায়ক কমিটি দিয়ে ৫ বছর পার করেছে সিলেট মহানগর যুবলীগ।

নিজেদের মধ্যে দ্বন্ধ ও পদপদবী হারানোর ভয়ে কেন্দ্র থেকে একাধিক বার সম্মেলন করার তাগিদ দিলেও সম্মেলন করতে ব্যর্থ হয় বর্তমান আহ্বায়ক কমিটি। তবে গত ২৯ জুন এক বর্ধিত সভায় কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ সিলেট জেলা ও মহানগর আওয়ামী যুবলীগের সম্মেলনের দিনক্ষণ করলেও পরবর্তীতে ২৭ জুলাই মহানগর ও ২৯ জুলাই জেলার দিনক্ষণ পুনঃনির্ধারণ করেন।

সম্মেলন সফল করতে ইতিমধ্যে সিলেট সফর করেছেন সিলেটের দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় শীর্ষ নেতারা।

তাদের মতে, এবারের সম্মেলনে নতুন নেতৃত্ব বের করতে সমঝোতায় না হলে ‘কাউন্সিল’ ভোটাভোটি হবে।

এদিকে, কাউন্সিলের মাধ্যমে নেতৃত্ব নির্বাচন করায় কাউন্সিলরদের ধারে ধারে যাচ্ছেন পদপ্রত্যাশীরা। আর নতুন যুব রাজনীতি আসতে ইচ্ছুক সাবেক ছাত্রনেতারা চাচ্ছেন ‘যুবকদের নিয়ে গঠিত হোক যুবলীগের কমিটি। আদু ভাইদের দিয়ে নয়।’ এছাড়া যুবজাগরণ শক্তিশালী করতে কেন্দ্রের প্রতি সাবেক ছাত্রনেতা ও যুবাদের মূল্যায়ণ করার দাবি তাদের।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ৩ মাসের আহ্বায়ক কমিটি দীর্ঘ ৫ বছর তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যায়। এরমধ্যে মহানগরের ২৭ টি ওয়ার্ডের কমিটি গঠন করতে সক্ষম হয়েছেন দায়িত্বশীলরা। সকল ওয়ার্ডে কমিটি গঠন করার পর কেন্দ্রীয় দপ্তর সেলে বিষয়টি অবহিত করা হয়। এরপর সিলেটে আসে কেন্দ্রীয় যুবলীগের একটি প্রতিনিধি দল। তারা ২৯ জুন বর্ধিত সভায় বসেন সিলেট জেলা ও মহানগর কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে। সেখানে সম্মেলনের তারিখ ঘোষণা করেন কেন্দ্রীয় নেতারা। সম্মেলনকে কেন্দ্র করে ঝিমিয়ে পড়া সিলেট মহানগর যুবলীগ আবারও সরব হতে শুরু হয়। পদ পেতে চাঙ্গা হয়ে উঠেছেন মহানগর যুবলীগের পদ প্রত্যাশীরা। দলীয় কর্মীদের সাথে গণসংযোগের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় পর্যায়ে লবিং চালিয়ে যাচ্ছেন তারা। সম্মেলনকে কেন্দ্র করে উজ্জীবিত কর্মীরাও। তবে অল্প সময়ের মধ্যে সম্মেলন আহ্বান ও তড়িগড়ি করে ভোটার তালিকা তৈরি করা নিয়ে মহানগর যুবলীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। যার ফলে প্রার্থীদের মধ্যে সুষ্ঠু নির্বাচন হওয়ার নিয়ে রয়েছে শঙ্কা। এত দ্বিধা বিভক্তি ও শঙ্কার মধ্যেও প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন সকল প্রার্থীরা। তাদের ভয় সিলেকশন। সিলেকশনে যুবলীগের কমিটি হচ্ছে বলে ইতিমধ্যে সুর উঠেছে।

সম্মেলনকে সামনে রেখে শীর্ষ দুই পদ পেতে প্রার্থীতা ঘোষণা করেছেন অনেক যুবলীগ নেতা। আর একমাত্র সাংগঠনিক সম্পাদক প্রার্থী হয়ে প্রার্থিতা ঘোষণা দিয়েছেন রিমাদ আহমদ রুবেল।

বর্তমান আহ্বায়ক আলম খান মুক্তি সভাপতি পদ প্রত্যাশী। তিনি ছাড়াও সভাপতি পদ প্রত্যাশা করেছেন যুবলীগ নেতা শান্ত দেব, সাবেক ছাত্রনেতা ও আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সুবেদুর রহমান মুন্না ও যুবলীগের আগের কমিটির সদস্য শ্যামল সিংহ। আর সাধারণ সম্পাদক হতে তৎপরতা চালাচ্ছেন বর্তমান আহবায়ক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক মুশফিক জায়গীরদার, বর্তমান আহ্বায়ক কমিটির সেলিম আহমেদ সেলিম, জাকিরুল আলম জাকির ও জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এম রায়হান চৌধুরী এবং একমাত্র সাংগঠনিক সম্পাদক প্রার্থী রিমাদ আহমদ রুবেল।

কমিটি নিয়ে সিলেট জেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক কামরুল ইসলামের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, যুবকরাই যুবলীগের রাজনীতি করলে যুবলীগ আরো সুসংগঠিত হবে। সিলেট মহানগর যুবলীগ ঝিমিয়ে পড়েছে। সিলেট মহানগর যুবলীগকে শক্তিশালী করতে সাবেক ছাত্রনেতাদের মূল্যায়ন করার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

এছাড়া কর্মী বান্ধব নেতাদের হাতে যুবলীগ তুলে দেওয়ার যুবলীগের দায়িত্বশীল নেতাদের প্রতি আহ্বান জানান সাবেক এ ছাত্রনেতা।

সভাপতি প্রার্থী শান্ত দেব বলেন, এই সম্মেলনকে কেন্দ্র করে অনেক দ্বিধাবিভক্তি আছে। দীর্ঘদিন ধরে ত্যাগী নেতাদের যেভাবে বঞ্চিত করা হয়েছে এই সম্মেলনকে কেন্দ্র করে আবারো যেন তাদের ভোটের অধিকার বঞ্চিত করা না হয়। কারণ যে ভাবে কাউকে না জানিয়ে ওর্য়াড কমিটি ও ভোটার তালিকা করা হয়েছে তাতে সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা আছে। দলের একটি বড় অংশকে বাদ দিয়ে ৩ মাসের কমিটি নিয়ে ৫ বছর কাটিয়ে দিয়েছে কয়েকজন। এখন পরিবর্তন দরকার। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচন হলে অবশ্যই নেতৃত্বে পরিবর্তন আসবে। তাই কেন্দ্রের প্রতি বিশ্বাস রেখে আমি প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছি।

আরেক সভাপতি প্রার্থী শ্যামল সিংহ বলেন, এই নির্বাচন একটা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে হচ্ছে। কারণ সিলেট যুবলীগ এককেন্দ্রিক হয়ে গেছে। ত্যাগী নেতাদের বাদ দিয়ে ওয়ার্ড কমিটিতে হাইব্রিডদের পদ দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সুদৃষ্টি না থাকলে এটা একটা আইওয়াশ নির্বাচন হবে। তারপরও  সকল ভোটারদের সাথে যোগাযোগ রাখছি। প্রচার চালাচ্ছি সুষ্ঠু ,নির্বাচনের আশায়।

সভাপতি প্রার্থী সুবেদুর রহমান মুন্না বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ লালন করে ছাত্র রাজনীতি করে এসে যুব রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হয়েছি। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকবার যুবলীগের দায়িত্ব পালন করেছি। সবসময় তৃণমূলের সঙ্গে থেকে কাজ করেছি। আশাকরি দলের হয়ে কাজ করার ফল পাব এবং কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ আমাকে মূল্যায়ন করবেন।

সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী বর্তমান আহবায়ক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক মুশফিক জায়গীরদার বলেন, মাঠে ছিলাম মাঠে আছি। আমি তৃণমূল থেকে রাজনীতি করে আসছি। তাই এই সম্মেলনকে ঘিরে আমি অনেক আত্মবিশ্বাসী। এই যুবলীগ আমার প্রাণের সংগঠন। আহবায়ক কমিটিতে থাকা অবস্থায় আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করেছি সম্মেলন করার। কিন্তু বিভিন্ন কারণে সেটা আমরা করতে পারিনি। তবে আমরা সিলেট মহানগর যুবলীগ কোনো কমতি রাখিনি। সব সময় সকল নেতাকর্মীদের সংস্পর্শে ছিলাম। এই সম্মেলনের মাধ্যমে মহানগর যুবলীগ একটি পূর্ণাঙ্গ কমিটির পরিপূর্ণতা নিয়ে আসবে। সেই লক্ষেই প্রচার প্রচারণা করছি। এবং নির্বাচনী মাঠে লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত আছি।

তিনি একপ্রশ্নের জবাবে বলেন, আমরা কাউন্সিলর কাউকে বানাইনি। কাউন্সিলরের তালিকা করেছেন ওয়ার্ডের নেতৃবৃন্দরা। এসব আমাদের হাত নেই।

সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী সেলিম আহমদ সেলিম বলেন, আমি দলের হয়ে দীর্ঘদিন কাজ করে এসেছি। এখনো করে যাচ্ছি। আশাকরি দল আমাকে এর প্রতিফলন দেবে।

সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী এম রায়হান উদ্দিন বলেন, ৩ মাসের কথা বলে ৫ বছর চালানো হলো মহানগর যুবলীগ। এখন সময় এসেছে পরিবর্তনের। আমরা যারা ছাত্রলীগ করে যুবলীগ করতে এসেছি আমরা চাই যুবরাই যুবলীগের নেতৃত্ব দিবে। দীর্ঘদিন যাবত সিলেটের যুবলীগ নিষ্ক্রিয় অবস্থায় রয়েছে। রাজপথ শূন্য রয়েছে। রাজপথে প্রাণচাঞ্চল্য করে তুলতে আমি যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী হয়েছি। সুষ্ঠু ভাবে নির্বাচন হলে কর্মীরা যোগ্য নেতাকেই নির্বাচন করবে। কাউন্সিলে এর প্রতিফলন ঘটবে।

একমাত্র সাংগঠনিক সম্পাদক প্রার্থী রিমাদ আহমদ রুবেল বলেন, আমি ছাত্ররাজনীতি করে এসেছি। দলের দুর্দিনে দলের হয়ে কাজ করেছি। এরপর যুবলীগের রাজনীতিতে নিজেকে সম্পৃক্ত করেছি। মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির সিনিয়র সদস্যও ছিলাম। এখনো রাজপথে আছি। আশাকরি দলের শীর্ষ নেতারা আমাকে মূল্যায়িত করবেন।

এ ব্যাপারে মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক ও সভাপতি প্রার্থী আলম খান মুক্তি বলেন, আমরা স্থানীয় আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সম্পাদকসহ শীর্ষ নেতাদের নিয়ে প্রতিটি ওয়ার্ডে যুবলীগের সম্মেলন করেছি এবং সঠিক ব্যক্তিদের হাতে ওয়ার্ডের নেতৃত্ব তুলে দিয়েছি।

তিনি বলেন, কেন্দ্রের নির্দেশনা মোতাবেক আমরা সম্মেলন সফল করতে সকল কার্যক্রম সম্পন্ন করেছি। আশাকরি সুন্দর একটি সম্মেলন উপহার দিতে পারবো।

সম্মেলন নিয়ে কথা হয় সিলেটের দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক আতিকের সঙ্গে। তিনি জানালেন যুবলীগ হচ্ছে একটা আদর্শিক সংগঠন। সাংগঠনিক সকল পক্রিয়া আমরা সম্পন্ন করে সিলেটে সম্মেলন করতে যাচ্ছি। সম্মেলনে শীর্ষ দুই পদ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে একাধিক প্রার্থী থাকলে আমরা প্রথম অধিবেশনের পর দ্বিতীয় অধিবেশনে কাউন্সিল করে থাকি। কাউন্সিলরা তাদের নেতা বাচাই করবেন।

একপ্রশ্নের জাবাবে আতিক বলেন, শীর্ষ দুই পদের বাহিরে যেসব নেতাদের দায়িত্ব দেওয়া হবে। তাদের মধ্যে কোয়ালিটি সম্পন্ন সাবেক ছাত্র নেতাদের মূল্যায়িত করা হবে। সাবেক ছাত্র নেতাদের প্রতি আমাদের চেয়ারম্যান (ওমর ফারুক চৌধুরী) ও সাধারণ সম্পাদক (হারুনুর রশীদ) এর সজাগ দৃষ্টি রয়েছে। আশাকরি মানসম্পন্ন নেতারা যুবলীগের দায়িত্বে আসবেন।

অপর আরেক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমরা কমিটি গঠন প্রক্রিয়ায় পদপ্রত্যাশীদের অতীত রেকর্ড খোঁজি। যদি কেউ যুবলীগের কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অবমূল্যায়ন করেন ; তাদের বিষয়ে আমাদের সজাগ দৃষ্টি রয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের অপশনে ক্লিক করুন 👎👎👎

এ জাতীয় আরও সংবাদ 👇